আমাদের প্রতিজ্ঞা উদ্ভাবন, জনসেবা, সততা, নিরপেক্ষ ও তথ্য প্রযুক্তি নির্ভর পৌরসভা গড়েতোলা

হবিগঞ্জ পৌরসভা
Our Mission: Green, Clean and Smart City-Habiganj

অতিরিক্ত শ্রমিক নিয়োগ করে বিশেষ ড্রেন পরিস্কার অভিযান চলছে পৌরএলাকায় ॥ ড্রেনে আবর্জনা ফেলা বন্ধ না করলে অভিযানে সুফল পাওয়া যাবে না -মেয়র আতাউর রহমান সেলিম ॥

অতিরিক্ত শ্রমিক নিয়োগ করে বিশেষ ড্রেন পরিস্কার অভিযান চলছে পৌরএলাকায় ॥ ড্রেনে আবর্জনা ফেলা বন্ধ না করলে অভিযানে সুফল পাওয়া যাবে না -মেয়র আতাউর রহমান সেলিম ॥

‘শহরের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন ও স্বাস্থ্যসম্মত রাখতে দীর্ঘদিন সচেতনতামুলক প্রচারনা চালিয়েও আশানুরূপ সাড়া মিলছে না। ইতিমধ্যে ময়লা আবর্জনা যত্রতত্র না ফেলার জন্য হবিগঞ্জ পৌরসভার পক্ষ হতে বার বার মাইকিং, প্রচারপত্র বিলি, পত্রিকায় বিবৃতি প্রকাশ, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক প্রচারনা সত্ত্বেও শহরের ড্রেনগুলোতে ব্যাপকহারে ময়লা আবর্জনা ফেলা হচ্ছে।’- রবিবার শহরের কর্মকারপট্টি, গোপীনাথপুর, চিড়াকান্দি, বাগানবাড়ি, নোয়াহাটিসহ অন্যান্য এলাকায় ড্রেন, খাল, পুকুর, জলাশয় পরিদর্শনকালে স্থানীয় লোকজনের সাথে আলোচনাকালে মেয়র আতাউর রহমান সেলিম এসব কথা বলেন। মেয়র বলেন,‘মেয়র হিসেবে দায়িত্ব গ্রহনের পর হতেই অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ড্রেনগুলো পরিস্কার কর্মসূচী অব্যাহত রেখেছি। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্যি একেকটি ড্রেন পরিস্কার করার পরপরই ময়লা আবর্জনা ফেলে ড্রেনকে আবদ্ধ করে ফেলা হয়। আমাদের অবিরাম সচেতনতামুলক প্রচার প্রচারনায় আমরা আশানুরূপ সারা পাচ্ছি না।’ মেয়র ৪ ও ৫ নং ওয়ার্ডে খোজ নিয়ে দেখতে পান কোন কোন বাসা হতে প্রতিদিন ভ্যানগাড়ী ময়লা দেয়া হচ্ছে আবার অনেক বাসা হতেই ভ্যানগাড়ীতে ময়লা দেয়া হচ্ছে না। এমনকি দোতলার জানালা দিয়েও ড্রেনে ময়লা ফেলা হচ্ছে প্রতিদিন। মেয়র বলেন,‘এই অবস্থা চলতে থাকলে শহরকে জলাবদ্ধতামুক্ত করা খুবই কঠিন হয়ে পড়বে।’ তিনি আরো বলেন,‘বর্তমানে বেশী মজুরী দিয়ে অতিরিক্ত শ্রমিক নিয়োজিত করা হয়েছে বড় ড্রেন পরিস্কারের জন্য। কিন্তু ড্রেনে আবর্জনা ফেলা বন্ধ না করলে এই বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযানের সুফল পাওয়া যাবে না।’ যারা ভ্যানগাড়ীতে আবর্জনা দেন না তাদের তালিকা করার জন্য ওয়ার্ড কাউন্সিলরসহ সংশ্লিষ্টদের দায়িত্ব দেন। এলাকা পরিদর্শনকালে ৫ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর গৌতম কুমার রায়সহ এলাকাবাসীর অনেকেই উপস্থিত ছিলেন।#